জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে শ্বশুরবাড়ীতে বউ নিতে এসে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের ঢোলভিটি পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহত হয়ে ডোয়াইল ইউনিয়নের সোহেল রানা (৩৫) নামে একজনের ও সংঘর্ষের পরে সোহেলের মরদেহ দেখতে এসে হার্ট অ্যাটাকে করে মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু (৪০) নামে অপর একজনের মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে নিহত সোহেল রানার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢোলভিটি গ্রামের লিটন মিয়ার মেয়ে শিলা আক্তার (২০) সঙ্গে ৩ মাস আগে একই ইউনিয়নের চাপারকোনা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে রনি মিয়ার বিয়ের কাবিন হয়। কাবিনের কিছুদিন পর থেকেই দুই পরিবারের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে মনমালিন্যের সৃষ্টি হয়। রনি লোকজন নিয়ে সোমবার রাতে তার স্ত্রীকে নিতে ঢোলভিটি গ্রামে শ্বশুরবাড়ি আসেন। এ সময় মেয়ের বাবা মেয়েকে দিতে অনীহা প্রকাশ করলে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষ হয়।
তাদের চিৎকারে প্রতিবেশী সোহেল রানা ঘটনাস্থলে আসলে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তাকে ধানক্ষেতে নিয়ে ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
অপরদিকে ধানক্ষেতে সোহেলের মরদেহ দেখতে এসে একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে মঞ্জু মিয়ার (৪০) হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে রনি মিয়ার পক্ষের চান মিয়া চানু ও মফিজ বলেন, কাবিন হয়েছে আগেই কিন্তু তারা এখন মেয়ে দিতে অস্বীকার করছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে মেয়ে নিতে আসা হয়েছিলো। কিন্তু তারা উত্তেজিত হয়ে মারামারি শুরু করে।
কনের দাদি আছিয়া বেগম বলেন, ‘রনি দলবল নিয়ে আমার নাতিকে তুলে নিতে চেয়েছিলো। তারাই আগে আমার ছেলে ও প্রতিবেশীদের ওপর হামলা করে। আমরা মেয়ে তুলে দিতে চেয়েছিলাম এক সপ্তাহ পরে কিন্তু তারা আজই জোর করে নিয়ে যাবে।’
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাচ্চু মিয়া বলেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। বিয়ের বিষয় নিয়ে শালিস বৈঠকে মারামারি হয়। সেখানে সোহেল রানা নামে একজনের লাশ ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। অন্যজনের হার্ট এ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি।
সংঘর্ষে আহত হয়ে ডোয়াইল ইউনিয়নের সোহেল রানা (৩৫) নামে একজনের ও সংঘর্ষের পরে সোহেলের মরদেহ দেখতে এসে হার্ট অ্যাটাকে করে মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু (৪০) নামে অপর একজনের মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে নিহত সোহেল রানার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢোলভিটি গ্রামের লিটন মিয়ার মেয়ে শিলা আক্তার (২০) সঙ্গে ৩ মাস আগে একই ইউনিয়নের চাপারকোনা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে রনি মিয়ার বিয়ের কাবিন হয়। কাবিনের কিছুদিন পর থেকেই দুই পরিবারের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে মনমালিন্যের সৃষ্টি হয়। রনি লোকজন নিয়ে সোমবার রাতে তার স্ত্রীকে নিতে ঢোলভিটি গ্রামে শ্বশুরবাড়ি আসেন। এ সময় মেয়ের বাবা মেয়েকে দিতে অনীহা প্রকাশ করলে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষ হয়।
তাদের চিৎকারে প্রতিবেশী সোহেল রানা ঘটনাস্থলে আসলে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তাকে ধানক্ষেতে নিয়ে ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
অপরদিকে ধানক্ষেতে সোহেলের মরদেহ দেখতে এসে একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে মঞ্জু মিয়ার (৪০) হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে রনি মিয়ার পক্ষের চান মিয়া চানু ও মফিজ বলেন, কাবিন হয়েছে আগেই কিন্তু তারা এখন মেয়ে দিতে অস্বীকার করছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে মেয়ে নিতে আসা হয়েছিলো। কিন্তু তারা উত্তেজিত হয়ে মারামারি শুরু করে।
কনের দাদি আছিয়া বেগম বলেন, ‘রনি দলবল নিয়ে আমার নাতিকে তুলে নিতে চেয়েছিলো। তারাই আগে আমার ছেলে ও প্রতিবেশীদের ওপর হামলা করে। আমরা মেয়ে তুলে দিতে চেয়েছিলাম এক সপ্তাহ পরে কিন্তু তারা আজই জোর করে নিয়ে যাবে।’
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাচ্চু মিয়া বলেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। বিয়ের বিষয় নিয়ে শালিস বৈঠকে মারামারি হয়। সেখানে সোহেল রানা নামে একজনের লাশ ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। অন্যজনের হার্ট এ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি।
অনলাইন ডেস্ক